slider images
slider images
slider images
slider images
slider images
slider images
slider images
slider images
slider images
slider images

মেডজুল খেজুর - Medjool Dates

1750 Tk.

মেডজুল খেজুর, খেজুরের রাজা হিসেবে পরিচিত। এটি বিশ্বের প্রাচীনতম চাষ করা ফল, এই খেজুরের উৎপত্তি উত্তর আফ্রিকায়, সম্ভবত মরক্কোতে, সেখানে এগুলো শুধুমাত্র রাজপরিবারের জন্য সংরক্ষিত থাকত। মেডজুল খেজুর আকারে বড়, রসালো মাংস এবং মিষ্টি, অনেকটা ক্যারামেলের মতো, তাই এই খেজুর বিশ্বব্যাপী অত্যন্ত মূল্যবান।

খেজুর শুধু খেতেই সুস্বাদু না, এর স্বাস্থ্যগত উপকারিতাও অনেক। তাই স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের কাছে খেজুর সুপারফুড। যাঁরা প্রক্রিয়াজাত চিনি বা মিষ্টি খেতে অনিচ্ছুক, তাঁদের জন্য খেজুর সেরা বিকল্প। সারা বিশ্বে প্রায় তিন হাজার প্রজাতির খেজুর আছে। খেজুরে আছে কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার, প্রোটিন, ভিটামিন বি, ভিটামিন কে, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, জিঙ্ক ও ম্যাঙ্গানিজসহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান।

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন খেজুর। আয়রনে ভরপুর খেজুর খেতে পারেন প্রতিদিন। অন্তত দুটি খেজুর যদি প্রতিদিন খান তবে অনেক রোগ কাছেও ঘেঁষবে না।  
পুষ্টিবিদদের মতে, শরীরের প্রয়োজনীয় আয়রনের সবই রয়েছে খেজুরে।  

খেজুরের উপকারিতা:  

  • খেজুর রক্তনালির জন্য ভালো। খেজুর খেলে ধমনি পরিষ্কার থাকে। রক্ত চলাচলে কোনো বাধার সৃষ্টি হয় না। ফলে হৃদ্‌রোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে।
  • খেজুরে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন, খনিজ, ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়া। খেজুরে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়।
  • গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণ খেজুর খেলে যকৃৎ ভালো থাকে ও শক্তিশালী হয়।
  • খেজুরে রয়েছে ভিটামিন এ, যা চোখের জন্য খুব ভালো। ভিটামিন এ চোখের কর্নিয়াকে সতেজ করে। খেজুরে লুটেনিন ও জেক্সানথিনও রয়েছে। এগুলো চোখকে সুরক্ষিত রাখে।
  • প্রতিটি খেজুরে রয়েছে ২০ থেকে ২৫ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম, যা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
  • রক্তস্বল্পতায় ভোগা রোগীরা প্রতিদিন খেজুর খেতে পারেন।  একজন সুস্থ মানুষের শরীরে যতটুকু আয়রন প্রয়োজন, তার প্রায় ১১ ভাগ পূরণ করে খেজুর।
  • খেজুর বদহজম রোধ করে। কোষ্ঠকাঠিন্য ও বুকের জ্বালাপোড়া উপশম করে। খেজুরে থাকা অ্যামিনো অ্যাসিড ও ফাইবার খাবার হজমে সাহায্য করে।
  • রক্তাস্বল্পতার ওষুধ হিসেবে কাজ করে খেজুর। খেজুরে রয়েছে প্রচুর আয়রন। খেজুর দেহের আয়রনের অভাব পূরণ করে রক্তস্বল্পতার মতো রোগ থেকে রক্ষা করে।
  • খেজুরে লিউটেন ও জিক্সাথিন থাকায় তা রেটিনা ভালো রাখে।
  • নিয়মিত খেজুর খাওয়ার অভ্যাস ত্বককে শুষ্কতা থেকে রক্ষা করে। ত্বকের নানা সমস্যা থেকেও মুক্তি দেয় খেজুর। ত্বকের বলিরেখা নিয়ন্ত্রণ করতেও খেজুর উপকারী।

খেজুর একজন সুস্থ মানুষের শরীরে আয়রনের চাহিদার প্রায় ১১ ভাগই পূরণ করে। তাই প্রতিদিন খেতে পারেন খেজুর।